নিম্নের অপ্রচলিত পণ্য কোনটি?

Updated: 11 months ago
  • ক
    কাঁচাপাট
    0%
    0 votes
  • খ
    তৈরি পোশাক
    100%
    1 votes
  • গ
    কাগজ
    0%
    0 votes
  • ঘ
    বিটুমিন
    0%
    0 votes
968
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ইতিহাসে যে সকল পণ্য দীর্ঘকাল ধরে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে যাদের ঐতিহ্যগত অবদান রয়েছে, সেগুলোকে প্রচলিত পণ্য (Traditional Products) বলা হয়। যেমন - কাঁচাপাট, পাটজাত দ্রব্য, চা, চামড়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে, যেসব পণ্য সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং দেশের অর্থনীতিকে কৃষিনির্ভরতা থেকে শিল্পনির্ভরতার দিকে পরিচালিত করেছে, সেগুলোকে অপ্রচলিত পণ্য (Non-traditional Products) বলা হয়। এসব পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্য, সিরামিক, ঔষধ, হস্তশিল্প, সফটওয়্যার ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

প্রদত্ত বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:

        
  • কাঁচাপাট: এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রপ্তানি পণ্য। একসময় এটি বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস ছিল। তাই এটি একটি প্রচলিত পণ্য।
  •     
  • তৈরি পোশাক: আশির দশক থেকে তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে ব্যাপক প্রসার লাভ করে এবং বর্তমানে এটি দেশের প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করেছে এবং প্রচলিত কৃষিভিত্তিক রপ্তানি পণ্যের বাইরে একটি নতুন খাত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তাই এটি একটি অপ্রচলিত পণ্য।
  •     
  • কাগজ: কাগজ ও কাগজজাত পণ্য বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় থাকলেও, তৈরি পোশাকের মতো এটি দেশের রপ্তানি খাতকে এতটা বৈপ্লবিকভাবে পরিবর্তন করেনি বা এর ইতিহাস কাঁচাপাটের মতো সুদীর্ঘ নয়। এটি অপ্রচলিত পণ্যের সংজ্ঞায় সরাসরি তৈরি পোশাকের মতো ফিট করে না, তবে তৈরি পোশাকই সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।
  •     
  • বিটুমিন: বিটুমিন সাধারণত বাংলাদেশে আমদানি করা হয়, রপ্তানি পণ্যের তালিকায় এর উল্লেখযোগ্য স্থান নেই। তাই এটি অপ্রচলিত বা প্রচলিত কোনো অর্থেই বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে তৈরি পোশাকই হলো একটি অপ্রচলিত পণ্য, যা বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

Satt AI
Satt AI
3 months ago

(Non-traditional goods of Bangladesh in earning foreign currency and man-power export)

বাংলাদেশ বৈদেশিক বাণিজ্যের সাথে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই প্রচলিত ও অপ্রচলিত উভয় পণ্য রপ্তানি করে আসছে। বাংলাদেশ যেসব অপ্রচলিত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে সেগুলোর মধ্যে তৈরি পোশাক চামড়া ও হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য উল্লেখযোগ্য। এসব অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। দ্বিতীয় অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানিতে রয়েছে চামড়াজাত দ্রব্য। উল্লেখ্য তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত দ্রব্য দীর্ঘদিন ধরে রপ্তানি বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় এগুলো বর্তমানে প্রচলিত পণ্যের তালিকায় চলে এসেছে।

(ক) তৈরি পোশাক: তৈরি পোশাক শিল্প বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানিমুখী শিল্প। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাত থেকে ৩৪.৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে যা মোট রপ্তানির ৮৬.২ শতাংশ। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান আমদানিকারক দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে দেশটি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ দেশের তৈরি পোশাকের মধ্যে শার্ট, পাজামা, জিন্স প্যান্ট, জ্যাকেট, ট্রাউজার, গেঞ্জি, সোয়েটার, পুলওভার, ড্রেস, গ্লাভস, খেলাধুলার পোশাক, শীতকালীন পোশাক, নাইট ড্রেস প্রভৃতি বিদেশে যথেষ্ট সমাদৃত। নিচের সারণিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে পোশাক শিল্পের মোট রপ্তানি আয় দেখানো হলো:

সারণি-৮.১৭: তৈরি পোশাকের রপ্তানি আয় (মিলিয়ন মার্কিন ডলার)

সালআয়
২০১৪-২০১৫২৫৪৯২
২০১৫-২০১৬২৮১৩৯
২০১৬-২০১৭২৮১৪৯
২০১৭-২০১৮৩০১৪৭.৭৬
২০১৮-১৯৩৪৯৮৪,৯৯

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ২০১৯

(খ) চামড়া: বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলোর মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য অন্যতম। এসব দ্রব্য বিদেশে রপ্তানি করে দেশটি প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ দেশের চামড়া প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড, জাপান প্রভৃতি দেশে রপ্তানি করা হয়। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ এ খাত থেকে ১০১৯.৭৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে (সূত্র: ইপিবি-২০২০)।

(গ) হস্তশিল্পজাত দ্রব্য: বিদেশের বাজারে বাংলাদেশের হস্তশিল্পজাত দ্রব্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিভিন্ন হস্তশিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে (মার্চ পর্যন্ত) বাংলাদেশ এ খাত থেকে ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে।
জনশক্তি রপ্তানি: জনশক্তি, কর্মসংস্থান এবং প্রশিক্ষণ ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় (remittance) প্রায় ১,৬৪২ কোটি মার্কিন ডলার।

সারণি-৮.১৮ : ২০১৭-২০১৮ দেশভিত্তিক প্রবাসী আয় (মিলিয়ন মার্কিন ডলার)

সৌদি আরবসংযুক্ত আরব আমিরাতকাতারওমানকুয়েতযুক্তরাষ্ট্রযুক্তরাজ্যমালয়েশিয়াসিঙ্গাপুরঅন্যান্যমোট
২৫৯১.৬২৪৩০.০৮৪৪.১৯৫৮.২১১৯৯.৭১৯৯৭.৫১১০৬.০১১০৭.২৩৩০.২১৮৭৫.৭১৪৯৮১.৭

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

এছাড়া বাংলাদেশ থেকে আরও কিছু অপ্রচলিত পণ্য যেমন- অশোধিত সার, চিটাগুড়, দিয়াশলাই, পারটেক্স, রেয়ন, নারিকেলের ছোবড়া, গরুর ভুঁড়ি, মসলা, ফুলের ঝাড়ু, ওষুধ প্রভৃতি বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

বাণিজ্য (Trade) - মোহাম্মদ আরিফুর রহমান ও ইকবাল উদ্দিন আহমেদ মিঠু স্যারে লেখা বই

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই